Uncategorized

HECI Draft Bill 2018 Letter to MPs – Bangla

1) Copy this list of Opposition MPs from West Bengal in the “to” field of your email.

Adhikari.deepak@sansad.nic.in,
Dibyendu.adhikari27@yahoo.com,
sisir.adhikari@nic.in,
sajdamp@gmail.com,
idris.ali@sansad.nic.in,
sudip@sansad.nic.in,
sudip_bandyopadhyay2006@yahoo.com,
abhishekbanerjee.mp@gmail.com,
kalyan.banerjee@sansad.nic.in,
prasun.banerjee@sansad.nic.in,
bijoychandrabarman@gmail.com,
sugata.bose@sansad.nic.in,
sugata.bose@nic.in,
ahk.chowdhury@sansad.nic.in,
adhir@sansad.nic.in,
kakoli.dastidar@sansad.nic.in,
sankar.datta@sansad.nic.in,
ratna.de@sansad.nic.in,
ghosarpita@gmail.com,
anupam.hazra@sansad.nic.in,
mj.choudhury@sansad.nic.in,
b.khan@sansad.nic.in,
mriganka.mahato@sansad.nic.in,
tmbckv@gmail.com,
pratimamondal66@yahoo.com,
sunilk.mondal@sansad.nic.in,
abhijit.mukherjee@sansad.nic.in,
MausamNoor.Office@gmail.com,
t.paul1mp@gmail.com,
aparupa29afrin@gmail.com,
roysandhya@yahoo.com,
saugatapolitics_roy@yahoo.co.in,
md.salim@sansad.nic.in,
mamtaz.sanghamita@sansad.nic.in,
uma.saren@sansad.nic.in,
saumitrakhan@gmail.com,
mamatathakur67@gmail.com,
dasrath.tirkey@sansad.nic.in,
dintriv@gmail.com,
raimadevsen@gmail.com

2) Paste in the “to” field of your email client.

3) In the “subject” field, copy/paste: “REQUEST TO OPPOSE HECI DRAFT BILL 2018”

4) In the body of the mail, copy/paste the following:

 
মাননীয়/মাননীয়া সাংসদ,

ভারতবর্ষের বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে ধ্বংসের পথে না হাঁটে, সেই আশঙ্কাতেই আপনাকে এই পত্র লেখার প্রয়াস। আমার একান্ত অনুরোধ যে আপনি সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে হাইয়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (এইচইসিআই) ২০১৮ নামক প্রস্তাবিত বিলটির বিরোধিতায় সরব হন।

এই বিল পাশ হয়ে গেলে ১৯৫৬ সালের ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি) অ্যাক্ট বাতিল হয়ে যাবে। সমস্যা এই, যে ইউজিসি অ্যাক্ট বাতিল করবার এত জরুরি প্রয়োজন কেন, এবং সেটা এই মুহূর্তে, এতটা তাড়াহুড়ো করে কেন করতে হবে, তার কোন কারণ দেশের জনগণের সামনে পেশ করা হয়নি। যেই সংস্থাটি ১৯৫৬ সাল থেকে দেশের উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এসেছে, তাকে স্রেফ তিন মাসে ভেঙ্গে দেওয়া কতটা যুক্তিগ্রাহ্য? ছাত্র, শিক্ষক, উচ্চশিক্ষার নানান প্রতিষ্ঠান, অর্থাৎ কিনা শিক্ষা ব্যবস্থার মূল অংশীদার যারা, তাদের কারো সাথেই এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়নি। রাজ্যগুলোকেও এই প্রস্তাবিত বিল প্রসঙ্গে আলোচনা করবার উপযুক্ত সময় দেওয়া হয়নি।

প্রস্তাবিত বিলটির অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে, এবং সেটি পাশ হয়ে গেলে আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। ২৭ জুন ২০১৮ জনসাধারণের সামনে প্রস্তাবিত বিলের খসড়া পেশ করা হয়, এবং বলা হয় যে মতামত দান করতে। সময়সীমা ছিল মাত্র তিন সপ্তাহ। তাও, এই তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে মানুষজন (মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭৫২৯টি মতামত) এই বিল সম্পর্কে মতদান করেন। সমাজের নানান প্রান্তের এতজন মানুষকে যেই বিল এতটা চিন্তায় ফেলেছে, সেই বিল সম্পর্কে যে আরও আলোচনা হওয়া উচিত, এই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। মানবসম্পদ মন্ত্রকও স্বীকার করেছেন যে তাঁরা এই প্রসঙ্গে প্রচুর মতামত ও সমালোচনা পেয়েছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁরা এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনে আলোচনায় যাওয়ার কোন সদিচ্ছাই প্রকাশ করেননি। বরং, আবারও খবরের কাগজের পাতায় আমরা জানতে পেরেছি যে বিলের কিছু সংশোধন হয়েছে – কিন্তু সেই সংশোধন কী, তা আমরা জানিনা। সেই সংশোধিত বিল এবার জনসাধারণকে অগ্রাহ্য করে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে পেশ করা হবে। যেই মানুষজন উৎকণ্ঠিত হয়ে মানবসম্পদ মন্ত্রকের সাথে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন, তাঁরাই জানেননা এই বিলে কী রয়েছে। আশঙ্কা হয়, সরকার হয়তো জনসাধারণের মতামত নিয়ে আদৌ উৎসাহী নন।

সমাজের নানান অংশ থেকে যে ধরণের সমালোচনা হয়েছে, তার উদাহরণ স্বরূপ একটি লিংক দিচ্ছিঃ https://betteruniversities.in/2018/07/23/heci-draft-bill-2018-responses/

এর মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সমালোচনামূলক কিছু বিষয় এখানে তুলে ধরছিঃ

১। ইউজিসির হাতে এই মুহূর্তে অনুদান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এইচইসিআই বিল এই ক্ষমতাই কেড়ে নিতে চলেছে নতুন উচ্চশিক্ষা সংস্থানটির কাছ থেকে। বলা হয়েছে যে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক বা অন্য কোন একটি সংস্থা এর দায়িত্ব নেবে। এর ফলে, শিক্ষায় অনুদান পদ্ধতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়াবে, এবং অনেকটাই রাজনীতির উপর নির্ভরশীল হয়ে উঠবে কারণ এইচইসিআইয়ের হাতে এমন কোন ক্ষমতা থাকবেনা যার দ্বারা সংস্থাটি তার নিজস্ব সুপারিশ বাস্তবায়িত করতে সক্ষম হবে। এইভাবে উচ্চশিক্ষার নীতি ও উচ্চশিক্ষার অনুদান পৃথক হয়ে গেলে যা হবে তাকে এক কথায় বলা যেতে পারে ভয়াবহ। এর ফলে জনগণের রাজস্বকে ব্যবহার করা হবে কোন বিশেষ রাজনৈতিক মতের প্রতি সমর্থন/অসমর্থনের ফল হিসেবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে পুরষ্কার অথবা শাস্তি দেওয়ার কাজে। সীমাহীন দূরত্ব তৈরি হবে নানা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে, যা শেষ পর্যন্ত রাজ্যের তরুণ-তরুণীদের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক।

২| এইচইসিআইয়ের সংগঠন এ কথা পরিষ্কার করে দেয় যে উচ্চশিক্ষার দায়িত্বে এরপর থেকে কেবল মাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাই থাকবেন। কমিশনের ১২ জনের মধ্যে ১০ জন কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের নমিনি হবেন। শিক্ষক থাকবেন কেবল দুজন। যেই সংস্থা দেশে উচ্চশিক্ষা নীতি প্রস্তুত করবে এবং উচ্চশিক্ষার মান নির্ধারণ করবে, সেই সংস্থায় কেবলমাত্র দুজন শিক্ষকের স্থান হওয়া কোনভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়াও কমিশনের গঠনে ভারতবর্ষের জনসাধারণের বৈচিত্র্য কোনরকম স্থান পায়নি – কোন স্থান হয়নি এসসি/এসটি/ওবিসি/মহিলা/রূপান্তরকামী/বিকলাঙ্গ/সংখ্যালঘুদেরও।

৩| এইচইসিআইয়ের হাতে কিছু অভূতপূর্ব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেমন স্তরভিত্তিক স্বশাসন প্রদান, অথরাইজেশন প্রদান, এবং বন্ধ করবার নোটিশ প্রদান। এই ধরণের ক্ষমতা থাকার ফলে উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ কেন্দ্রীকরণ হবে, এবং এর ফলে নষ্ট হবে সময় এবং জনসম্পদ। এর ফলে ব্যাপক হারে কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইনে বাড়বে, বাড়বে প্রাইভেট সংস্থার রমরমা। এর ফলে শিক্ষকদের চাকরি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এতে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হবে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি, এবং দেশের ফেডেরাল চরিত্র বদলে যাবে।

৪। উচ্চশিক্ষায় মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে ‘হরেক মাল দশ টাকা’ জাতীয় মডেল কখনোই সফল হতে পারেনা। বিবিধের মাঝে মিলনে মহান এই দেশ ভারতবর্ষ, সেখানে এ হেন কেন্দ্রীকরণ সর্বনাশ ছাড়া কিছুই ডেকে আনতে পারেনা। এ ছাড়াও, যে দেশে এখনো বহু সংখ্যক মানুষ এখনো শিক্ষার আলো থেকে বহুদূরে, সেখানে উচ্চশিক্ষা নির্ধারক সংস্থা কখনোই সামাজিক ন্যায়ের দায়িত্ব ত্যাগ করতে পারেনা। এইচইসিআই বিল অন্তত এই মুহূর্তে এই প্রকারের কোন সংস্থা গঠনের আশা দেখাতে পারেনি।

৫| এইচইসিআই বিলের সাথে সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বশাসন শেষ হয়ে যাবে, এবং উচ্চশিক্ষা নির্ধারিত হবে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা। কমিশনকে যে কোন সুপারিশ করবার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত নিতে হবে। এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে এই ক্ষমতার ব্যবহার করে মতবিরোধের অধিকার, চিন্তা ও মত প্রকারের অধিকার, সবেতেই আঘাত করা হবে। জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে শিক্ষার বিকাশ যে হয়না, এ কথা বলাই বাহুল্য।

আমি আশা করবো আপনি আমার এই আশঙ্কার বিষয়ে সংসদে আলোচনা করবেন, এবং সংসদে বিতর্কে অংশগ্রহণ করে এই সর্বনাশা বিলের বিরুদ্ধে মতদান করবেন। আমার একান্ত অনুরোধ যে এই বিলটি যাতে স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে বৃহত্তর আলোচনার জন্য পাঠানো হয়, তার জন্য আপনি সওয়াল করুন।

অসংখ্য ধন্যবাদ।

5) Press SEND

1 thought on “HECI Draft Bill 2018 Letter to MPs – Bangla”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s